মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

মেট্রোলজি উইং-এর আইনগত কার্যক্রম

 

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে মিল রেখে আমদানি-রপ্তানিসহ ব্যবসা বাণিজ্যের সকল স্তরে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮২ সালে ‘The Standards of Weights and Measures Ordinance, 1982’ এবং ‘The Bangladesh Standards of Weights and Measures Rules, 1982’ জারী করে। বিভিন্ন সময়ে একাধিক সংশোধনের মাধ্যমে ওজন ও পরিমাপক যন্ত্রপাতি তৈরি, মেরামত, যাচাই, ক্রমাঙ্কন ইত্যাদির কাজের পরিধি বিস্তৃত করা হয় এবং মেট্রিক বাটখারায় বিএসটিআই’র লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়। এছাড়াও পণ্যসামগ্রী মোড়কজাত আকারে বিক্রয়-বিতরণের ক্ষেত্রে মোড়কের ঘোষনায় সমতা (Uniformity) ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড ওজন এবং পরিমাপ (পণ্য সামগ্রী মোড়কজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৭’ জারী করা হয় যা ২০১২ সালে সংশোধন করা হয়। পরবর্তীতে পূর্বে জারীকৃত অর্ডিন্যান্স ও এ্যাক্টসহ সকল রুলস সমন্বয়পূর্বক অধিকতর যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ২০১৮ সালে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’ জারী করা হয়।

বর্তমানে মেট্রোলজি উইং-এর সকল কার্যক্রম ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এ আইনের আওতায় ব্যবসা বা বাণিজ্যের লেনদেনে ব্যবহৃত যেকোন ওজন, পরিমাপন, ওজন বা পরিমাপন যন্ত্র ইত্যাদির নির্দিষ্ট মেয়াদান্তে বিএসটিআই’র মেট্রোলজি উইং কর্তৃক সত্যতা প্রতিপাদন (ভেরিফিকেশন) করা বাধ্যতামূলক। মেট্রিক বাটখারায় বিএসটিআই’র লোগোযুক্তকরণ, আমদানিকৃত ওজন ও পরিমাপন যন্ত্রের আমদানিকারক নিবন্ধন, প্রতিপাদন ও সীলমোহরযুক্তকরণ বাধ্যতামূলক। এছাড়াও ক্রয়-বিক্রয়ের লক্ষ্যে মোড়কজাতকৃত পণ্যসামগ্রীর পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করা আবশ্যক।

অবৈধভাবে অথবা প্রতিপাদন (ভেরিফিকেশন) ব্যতিরেকে অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে অথবা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পেট্রোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিটের মাধ্যমে জ্বালানি তেল কম প্রদান অথবা ব্যবসা বাণিজ্যের সকল স্তরে ওজন ও পরিমাপে কারচুপির আশ্রয় গ্রহণ অথবা মেট্রিক পদ্ধতি ব্যতীত অন্য পদ্ধতিতে ব্যবসা বা বাণিজ্যের লেন-দেনে ওজন, পরিমাপন, ওজন বা পরিমাপন যন্ত্র অথবা মোড়কজাতকৃত পণ্য ব্যবহার করা ‘ওজন ও মানদণ্ড আইন, ২০১৮’ আইনের বিভিন্ন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ সকল ধারায় সংঘটিত অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে নিয়মিত মামলা দায়ের ও বিচারের মাধ্যমে আইনগত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। এ সকল ধারা লংঘনের দায়ে ক্ষেত্র বিশেষে অনূর্ধ ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড, অনূর্ধ ৫ বৎসর কারাদণ্ড/উভয় দণ্ড প্রদান করার বিধান রয়েছে।

 

Share with :

Facebook Facebook