মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ এপ্রিল ২০১৭

*** আইসিটি সেল ***

বিএসটিআই এর আইসিটি সেলঃ
 
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে আইসিটি সেল এর ভূমিকাঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ‍“ভিশন ২০২১” বাস্তবায়ন এবং “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বর্তমান সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল দপ্তর/সংস্থায় তথ্য প্রযু্ক্তি বিষয়ক বিশেষ সেল গঠন করে। এরই ধারবাহিকতায় বিএসটিআইতেও “আইসিটি সেল” নামক একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়। উক্ত সেলে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলও নিয়োগ দেয়া হয়। বর্তমানে আইসিটি সেলে একজন সিনিয়র কম্পিউটার অপারেটর, একজন প্রোগ্রামার, একজন কম্পিউটার অপারেটর এবং একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কর্মরত আছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বর্তমান  উন্নয়নের অন্যতম উপাদান হিসেবে পরিগণিত। এর সুফল সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে করণীয় নির্ধারণকল্পে বর্তমান সরকার তার পূববর্তী শাসনামলে একটিতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের প্রয়োজনে সরকার ১০ মে ১৯৯৯ তারিখ জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা প্রণয়ন কমিটি গঠন করে (প্রজ্ঞাপন নং-বিপ্রম/শা-৯/এনসিএসটি-১/৯৯/৯০ তারিখঃ ১০-০৫-১৯৯৯)। পরবর্তী সরকারের সময় ২০০২ সনে নীতিমালা পণ্রীত হলেও শৈথিল্যের কারণে নীতিমালায় বর্ণিত ২০০৬ সালের মধ্যে দেশে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা সুদূর পরাহতই রয়ে যায়। বলা বাহুল্য যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সেইসত্মরে পৌঁছাতে আমাদের এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা ২০১৫ এর রূপকল্প ও উদ্দেশ্যসমূহের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে সরকার প্রতিশ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

 
জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা ২০১৫ এর রূপকল্প ও উদ্দেশ্যঃ
 
রূপকল্প (Vision)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ এবং বহুমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে একটা স্বচ্ছ, দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিতামূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করা; দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়ন নিশ্চিত করা; সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা বৃদ্ধি করা; সরকারী-বেসরকারী খাতের অংশিদারিতে ব সুলভে জনসেবা প্রদান নিশ্চিত করা; এবং ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ত্রিশ বৎসরের মধ্যে উন্নত দেশের সারিতে উন্নতিকরনের জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করা।
 
উদ্দেশ্য (Objective)
  • সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা/সাম্যতা (Social Equity) ঃ প্রতিবন্ধী অথবা বিশেষ সহায়তা লাগতে পারে এমন ব্যক্তিসহ সকলকে নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ পদ্ধতির মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা, লিঙ্গ সমতা, সম সুযোগ এবং সম অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ করা।
  • সর্বজনীন প্রবেশাধিকার (Universal Access) ঃ জনসেবার বাধ্যবাধকতা হিসেবে সবার জন্য ইন্টারনেট/টেলিকম সংযোগ নিশ্চিত করা।
  • দেশব্যাপী ক্ষুদ,্র মাঝারী ও ছোট আকারের শিল্প এবং কৃষিখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য আইসিটির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব উৎসাহিত করা।
  • আইসিটি প্রয়োগের মাধ্যমে সর্বাধুনিক কৌশল এবং বাজার-সংবাদ সঞ্চালন এবং ব্যবহার নিশ্চিত করে কৃষি ক্ষেত্রে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
  • ইআরপি এ্যাপি- কেশনের ব্যবহার উৎসাহিত করে বৃহৎ শিল্পের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উনড়বত তদারকী, দক্ষতার ঘাটতি চিহ্নিতকরণ, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক শিল্প পরিচালন নিশ্চিত করা।
  • পরিচালনা পদ্ধতি এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের অধিকতর অটোমেশনের মাধ্যমে সেবাখাতে টেকসই উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করা।
  • অতিসত্ত্বর অর্থনীতিতে উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে নতুন ধারা প্রবর্তন করার জন্য যত দ্রম্নত সম্ভব ই-কমাস,র্ ই-পেমেন্ট এবং ই-লেনদেন উৎসাহিত করা।
  • তথ্য প্রযুক্তির সকল ক্ষেত্রে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করা।
  • সিটিজেন চার্টার তদারকী এবং বিচার ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়সহ সকল সেবা প্রদানের ফলাফল সর্বসমক্ষে প্রকাশের মাধ্যমে সরকারী সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে জনগণের হয়রানি হ্রাস করা, সময় ও ব্যয় সাশ্রয় করা এবং স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা।
  • তথ্যের সফল আদান-প্রদানের জন্য সরকারী অফিসসমূহের মধ্যে আন্ত: সংযোগ স্থাপন করা।
  • ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের জন্য গণকর্মচারীদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি ও নেতৃত ব নিশ্চিত করা।
  • ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সকল সরকারী তথ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং আইসিটি নিভর্র জনসেবা প্রদান ব্যবস্থার স্থায়িত ব নিশ্চিত করা।
  • উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাসত্মবায়ন ও কার্যকারিতা তদারকীর জন্য আইসিটি নির্ভর ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
  • জনসেবার বাধ্যবাধকতা হিসেবে ৫ বৎসরের মধ্যে সকল নাগরিককে তথ্য জগতে প্রবেশের সুযোগ প্রদান করা।
  • সকল জেলা সদরে ইন্টারনেট ব্যাকবোন সম্প্রসারণ করে রাজধানীর সমপরিমান খরচে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা।
  • জাতীয় টেলিকম নীতিমালা অনুযায়ী সুযোগ সুবিধা প্রদান করে ৫ বৎসরের মধ্যে দেশের সর্বত্র ইন্টারনেট এবং আইপি টেলিফোন সেবা সম্প্রসারণ করা।
  • এনজিএন এবং লাইসেন্স বিহীন ব্যবস্থা সাগ্রহে অনুসরণ করে আইপি ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ সর্বত্র সম্প্রসারণ করা এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী করে তোলা।
  • নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
  • মেধাস্বত্ত সংরক্ষণ, অনলাইন ডকুমেন্ট আদান-প্রদান, লেন-দেন এবং পেমেন্ট এর সহায়ক আইনী অবকাঠামো তৈরী করা।
  • সকল সরকারী আইসিটি প্রকল্প অনুসরণ করবে এমন ইন্টার অপারেবিলিটি কাঠামো প্রবর্তন করা।
  • সাশ্রয়ী, ওপেন সোর্স